মূল ধারণা
প্রত্যেকে শুরু করেন ছোট, নিয়ন্ত্রিত আলোর উৎস নিয়ে। ভঙ্গি ব্যক্তিগত হলেও তার দৃশ্যরেশ সঙ্গে সঙ্গে শরীরের সীমা ছাড়িয়ে যায়।
পুনরাবৃত্ত রিং যেন চোখে দেখা ঢোলের ধ্বনি। সময়ের নিখুঁততায় আলো ছন্দ হয়; প্রতিটি তোলা, আঘাত ও বিরতি হয়ে ওঠে স্পষ্ট।
চারটি বলয় এক রেখায় এলেও পার্থক্য হারায় না। আলাদা অবস্থান রেখে অভিন্ন উদ্দেশ্যে চলা দলের ছবি তৈরি হয়।
বিমূর্ত শক্তি থেকে পৃথিবী ও ভূদৃশ্যে উত্তরণ ভাবনাকে ব্যক্তি প্রচেষ্টা থেকে সম্মিলিত দিগন্তে প্রসারিত করে।
এখানে ভবিষ্যৎ দূরের কোনো অপেক্ষমাণ ছবি নয়। মনোযোগ, পারস্পরিক সাড়া ও ধারাবাহিক সহযোগিতায় বর্তমানেই গড়ে ওঠা ছন্দ।